পসরার লেখা
প্রশ্নের উত্তর, তারপর নেড়ে দেখার জায়গা
পসরা মূলত একগুচ্ছ টুল, কিন্তু টুল কোনো প্রশ্নের উত্তর নয়। কেউ যখন খোঁজে "সরল যন্ত্র কাকে বলে", তার আগে দরকার সংজ্ঞাটা, উদাহরণগুলো আর একটা কষে দেখা হিসাব। এই লেখাগুলো সেই কাজটা করে, আর ঠিক যেখানে হাতে নেড়ে দেখা কাজে লাগে, সেখানে টুলটার লিংক দেয়।
বল, যন্ত্র ও শক্তি
১১টি লেখাসরল যন্ত্র, যান্ত্রিক সুবিধা আর শক্তির রূপান্তর - সংজ্ঞা, সূত্র আর হাতে-কলমে দেখার জায়গা।
সরল যন্ত্র কাকে বলে: ছয়টি ধরন, আর গিয়ারের কথা মূল লেখা সরল যন্ত্র বলের দিক বা প্রয়োগ বদলে কাজ সহজ করে, মোট কাজ কমায় না। ছয়টি প্রচলিত ধরন, গিয়ারের অবস্থান, উদাহরণ ও যান্ত্রিক সুবিধা বুঝুন।
যান্ত্রিক সুবিধা কী, আর কীভাবে হিসাব করে যান্ত্রিক সুবিধা = বোঝার বল ÷ দেওয়া বল। লিভার, কপিকল আর ঢালু তলের উদাহরণে ধাপে ধাপে হিসাব, আর কেন এর কোনো একক নেই।
শক্তির রূপান্তর: রোদ থেকে ঘরের বাতি পর্যন্ত শক্তি তৈরিও হয় না, ধ্বংসও হয় না, শুধু রূপ বদলায়। গতিশক্তি, স্থিতিশক্তি, সংরক্ষণের সূত্র আর কয়লার ভেতরে লুকানো রোদের গল্প।
জড়তা, বল-ভর-ত্বরণ এবং ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দৈনন্দিন খেলাধুলা ও চলাচলে কীভাবে দেখা যায় জানুন।
ভর কেন একই থাকে আর ওজন মাধ্যাকর্ষণে বদলায়, পৃথিবী-চাঁদের তুলনায় সহজভাবে বুঝুন।
ঘর্ষণে হাঁটা, ব্রেক ধরা ও আগুন জ্বলে; আবার শক্তিও নষ্ট হয়। উপকার ও ক্ষতির দুই দিক জানুন।
চুলে বেলুন ঘষলে চার্জ সরে কেন, বজ্রপাতের সঙ্গে মিল কোথায় এবং নিরাপদে কীভাবে দেখবেন।
বাল্ব এক পথ না একাধিক পথে যুক্ত হলে আলো ও ত্রুটির প্রভাব কীভাবে বদলায়, সহজ বর্তনীতে দেখুন।
কম্পন থেকে শব্দতরঙ্গ, বাতাসে চলার গতি ও মহাকাশের নীরবতা বুঝুন।
তাপ হলো শক্তির স্থানান্তর, তাপমাত্রা গরম-ঠান্ডার মাপ-থার্মোমিটার ও উদাহরণে পার্থক্য বুঝুন।
প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণে বৃষ্টির ফোঁটা কীভাবে আলোকে রঙে আলাদা করে, সহজ চিত্রসহ জানুন।
ঋতু, নদী ও দুর্যোগ
১২টি লেখাছয় ঋতু আর বারো মাস, পানিচক্র, বাংলাদেশের নদী, আর ঝড়-বন্যার আগে কী গুছিয়ে রাখতে হয়।
বাংলার ছয় ঋতু ও বারো মাস: কোন মাসে কোন ঋতু মূল লেখা গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত, বৈশাখ থেকে চৈত্র - কোন ঋতু কোন দুই মাস নিয়ে, ইংরেজি তারিখে কখন পড়ে, আর প্রতিটি ঋতুর নিজস্ব ফুল, ফল ও উৎসব।
পানিচক্র কাকে বলে: চারটি ধাপ, আর বাংলাদেশের নদী বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, বৃষ্টিপাত আর ভূগর্ভস্থ পানি - পানিচক্রের ধাপগুলো সহজ বাংলায়, আর পদ্মা-মেঘনা-যমুনা কীভাবে এই দেশটাই বানিয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার আগে জরুরি ব্যাগে কী রাখবেন দশ কেজির একটা ব্যাগে ছয়টা জিনিস থাকতেই হবে, আর চারটা জিনিস দেখতে দরকারি হলেও নেওয়া ভুল। আগে থেকে গোছানো থাকলে বেরোতে দেরি হয় না।
আজকের বৃষ্টি আর বহু বছরের আবহাওয়ার ধরনকে আলাদা করে বুঝুন।
বাষ্পীভবন, ঘনীভবন, মেঘের ক্ষুদ্র কণা ও বৃষ্টির ফোঁটার যাত্রা বুঝুন।
গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা নদী ব্যবস্থা এবং পলি দিয়ে বদ্বীপের ধারণা জানুন।
সরকারি সতর্কতা, নিরাপদ আশ্রয় ও জরুরি ব্যাগের সাধারণ প্রস্তুতি শিশুদের উপযোগী করে জানুন।
প্রজাতি, আবাসস্থল ও মানুষের জীবনযাত্রার সম্পর্ক দিয়ে জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব বুঝুন।
একবার ব্যবহারযোগ্য জিনিস কমানো, পুনর্ব্যবহার ও বর্জ্য আলাদা করার উপযোগী অভ্যাস।
বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণের প্রভাব উদাহরণে আলাদা করে বুঝুন।
ভূমিরূপ চেনা, ক্ষয়-সঞ্চয়, নদী ও প্লেটের ভূমিকা, তুলনামূলক ছক এবং নিরাপদ মানচিত্র কার্যক্রম।
সুন্দরবন, হাওর, চা-বাগান, পার্বত্য অঞ্চল ও উপকূলের আবাসস্থল, ঋতু পরিবর্তন ও পর্যবেক্ষণ জার্নাল।
বর্ণ, যুক্তবর্ণ ও হাতের লেখা
১৪টি লেখাবাংলা বর্ণমালা কোন ক্রমে শেখালে দ্রুত কাজ হয়, যুক্তবর্ণ কীভাবে ভাঙে, আর হাতের লেখার তিনটি ভিত্তি।
বাংলা বর্ণমালা শেখানো: কোন ক্রমে, আর কেন মূল লেখা স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। অ-আ থেকে শুরু না করে কোন ক্রমে শেখালে শিশু দ্রুত শব্দ পড়তে পারে, আর কার-ফলা কখন আনবেন।
যুক্তবর্ণ কীভাবে ভাঙে: ক্ষ, জ্ঞ আর বাকিগুলো যুক্তবর্ণ নতুন বর্ণ নয়, দুই বা তার বেশি ব্যঞ্জনের জোড়া। চেনা যুক্তবর্ণগুলো কোন বর্ণ দিয়ে গড়া, আর কোনগুলোর চেহারা আন্দাজ করা যায় না।
শিশুর হাতের লেখা ভালো করার উপায় মাত্রা, স্ট্রোকের ক্রম আর বসার ভঙ্গি - বাংলা হাতের লেখা ভালো হওয়ার তিনটি ভিত্তি, আর কেন বেশি লেখানো কাজে দেয় না।
স্বরধ্বনি, বর্ণের নাম ও লেখা আলাদা করে বর্ণমালা শেখার সহজ অনুশীলন।
ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরচিহ্ন বসিয়ে শব্দ পড়া ও লেখার ধাপ বুঝুন।
ব্যঞ্জন-ব্যঞ্জনের যুক্তরূপ চিনে শব্দে উচ্চারণ ও বানান মিলিয়ে পড়ার উপায়।
শব্দকে অংশে দেখা, পড়া, লেখা ও যাচাই করার পুনরাবৃত্ত অনুশীলন।
বাক্যের বিরতি, বক্তব্যের সমাপ্তি ও প্রশ্নের ধরন দেখে যতিচিহ্ন ব্যবহার শিখুন।
শুরু, মাঝ, শেষ ও কারণ-ফল চিহ্নিত করে গল্পের সারাংশ নিজের ভাষায় বলুন।
ছোট সময়, পছন্দের বই, একসঙ্গে পড়া ও চাপমুক্ত রুটিনের ব্যবহারিক পরামর্শ।
নতুন শব্দ অর্থসহ শিখে বাক্যে ব্যবহার, শব্দ-পরিবার, পুনরাবৃত্তি ও ছবির কার্ড দিয়ে বাংলা শব্দভাণ্ডার বাড়ান।
ছড়ার ধ্বনি, কবিতার চিত্রকল্প, গল্পের চরিত্র-সমস্যা-সমাধান নিয়ে বয়সভিত্তিক পাঠ ও সৃজনশীল কাজ।
বাংলা ভাষাভাষী শিশুর জন্য ইংরেজি অক্ষর-ধ্বনি, সাধারণ শব্দ ও বাক্য শেখার ধাপ–দুই ভাষার পার্থক্যকে সম্মান করে।
বাংলা ভাষার দীর্ঘ বিকাশ, বাংলা লিপির ঐতিহাসিক পরিবর্তন, ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রেক্ষাপট।
টাকা, বাজেট ও সুদ
১৪টি লেখাকোন বয়সে টাকার কোন ধারণা, পরিবারের বাজেট, আর সরল ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য সংখ্যাসহ।
শিশুকে টাকার হিসাব শেখানো: কোন বয়সে কোনটা মূল লেখা চাই বনাম দরকার, মাটির ব্যাংক, প্রথম বাজেট আর কেন সুদের হিসাব দেরিতে আসা উচিত। বয়স ধরে ধরে একটা বাস্তব ক্রম।
সরল ও চক্রবৃদ্ধি সুদ: পার্থক্যটা সময়ে সরল সুদ = আসল × হার × সময়। চক্রবৃদ্ধিতে সুদের উপরেও সুদ বসে। একই টাকায় ২০ বছরে পার্থক্য কত দাঁড়ায়, সংখ্যাসহ।
পরিবারের বাজেট আর সঞ্চয়: শিশুকে দেখানোর মতো করে স্থায়ী খরচ, পরিবর্তনশীল খরচ, ঘাটতি আর উদ্বৃত্ত - চারটে শব্দে একটা মাসের হিসাব, আর সঞ্চয় কেন খরচের পরে নয়, আগে।
পরিবারের বাজেট ও পরিস্থিতি বিবেচনায় চাহিদা এবং পছন্দ আলাদা করে ভাবুন।
আয় বা নির্দিষ্ট বরাদ্দ, খরচ, সঞ্চয় ও লক্ষ্যকে ছোট বাস্তব অনুশীলনে সাজান।
লক্ষ্যের দাম, সময় ও নিয়মিত সঞ্চয় ভাগ করে বাস্তব পরিকল্পনা করুন।
ব্যাংকের জমা, হিসাবের খাতা ও সুদকে শিশুদের উপযোগী উদাহরণে বুঝুন।
মূল টাকার ওপর সুদ এবং জমা হওয়া সুদের ওপরও সুদ-দুটি হিসাব আলাদা করে বুঝুন।
লেনদেনের রেকর্ড, গোপন তথ্য ও প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকার মৌলিক নিয়ম জানুন।
একক-দাম, পরিমাণ, গুণমান ও প্রয়োজন মিলিয়ে সচেতন কেনাকাটা অনুশীলন করুন।
চাকরি, ব্যবসা, মজুরি, বেতন ও আয়ের পার্থক্য–সম্মানজনক ও বয়স-উপযোগী কাল্পনিক হিসাবসহ।
একটি দরকারি সমস্যা খুঁজে ছোট ধারণা পরীক্ষা, খরচ-দাম-লাভ হিসাব, গ্রাহকের সম্মতি ও শিশুদের নিরাপত্তা।
চাহিদা-জোগান, মৌসুমি পণ্য, প্রতিযোগিতা ও মূল্যস্ফীতির পার্থক্য কাল্পনিক বাজার-খেলা ও ছকে বুঝুন।
PIN/OTP গোপন রাখা, ভুয়া পুরস্কার ও বিনিয়োগ-প্রলোভন চিনে বড়দের জানানো–শিশু ও পরিবারের নিরাপদ নির্দেশিকা।
গ্রহ, চাঁদ ও তারা
১৩টি লেখাসৌরজগতের আটটি গ্রহ, চাঁদের কলা আর গ্রহণ, আলোকবর্ষ কাকে বলে আর তারারা কীভাবে জন্মায় ও মরে।
সৌরজগতের গ্রহ কয়টি ও কী কী মূল লেখা সৌরজগতে গ্রহ আটটি, সূর্যের কাছ থেকে ক্রমে বুধ থেকে নেপচুন। প্রতিটির আকার, দূরত্ব, দিন-বছরের দৈর্ঘ্য, আর প্লুটো কেন বাদ পড়ল।
চাঁদের কলা আর গ্রহণ: কেন প্রতি মাসে গ্রহণ হয় না অমাবস্যা, প্রথমার্ধ, পূর্ণিমা, শেষার্ধ - চক্রটা সাড়ে ২৯ দিনের। সূর্যগ্রহণ কেন অমাবস্যায়, চন্দ্রগ্রহণ কেন পূর্ণিমায়, আর জোয়ার-ভাটার কারণ।
আলোকবর্ষ কাকে বলে, আর তারারা কীভাবে মরে আলোকবর্ষ সময়ের নয়, দূরত্বের একক - প্রায় ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার। তারার জন্ম, লাল দানব, শ্বেত বামন আর কৃষ্ণগহ্বর পর্যন্ত।
মহাকর্ষ আর পাশের দিকে চলার বেগ কীভাবে গ্রহকে কক্ষপথে রাখে, সহজ উপমা ও মডেলসহ জানুন।
পৃথিবীর আবর্তন, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত এবং এক দিনের দৈর্ঘ্য সহজ মডেল দিয়ে বুঝুন।
গ্রীষ্ম-শীতের কারণ পৃথিবী-সূর্যের দূরত্ব নয়; অক্ষের হেলানো অবস্থান কীভাবে আলো বদলায় জানুন।
পৃথিবীর মহাকর্ষ ও চাঁদের পাশমুখী গতির ভারসাম্যে চাঁদের কক্ষপথ কীভাবে থাকে জানুন।
কৃষ্ণগহ্বরের মহাকর্ষ, ঘটনা দিগন্ত ও ভুল ধারণা বুঝুন; দূর থেকে নিরাপদ কক্ষপথও সম্ভব।
বরফময় ধূমকেতু, পাথুরে গ্রহাণু, মহাকাশের উল্কাখণ্ড ও আকাশে দেখা উল্কা আলাদা করে চিনুন।
নিউটনের তৃতীয় সূত্র, ধাপ আলাদা করা, বেগ ও কক্ষপথের সহজ ব্যাখ্যা-রকেট শুধু সোজা ওপরে যায় না।
চাঁদে যাওয়ার যাত্রা কেন কয়েক দিনের, দূরত্ব ও মিশনের পথ বেছে নেওয়া কীভাবে সময় বদলায় জানুন।
গ্যালাক্সি, নীহারিকা, মহাবিশ্বের প্রসারণ ও ডার্ক ম্যাটারের পরিচয়–স্কেল মডেল, তুলনামূলক ছক ও শিশুদের কাজসহ।
কৃত্রিম উপগ্রহ, মহাকাশ স্টেশন, নভোযান ও রোভারের পার্থক্য, কাজের উদাহরণ এবং কক্ষপথ নিয়ে সহজ গাইড।
পদার্থ, পরমাণু ও বিক্রিয়া
১২টি লেখাকঠিন-তরল-গ্যাসের পার্থক্য অণুর সাজানোয়, পরমাণুর ভেতরের তিন কণা, আর pH স্কেল ঘরে বসে পরীক্ষা করার উপায়।
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাস ও প্লাজমা মূল লেখা কঠিন, তরল ও গ্যাসের পার্থক্য অণুর সাজানোয়। গলন, স্ফুটন, বাষ্পীভবন, ঘনীভবন আর ঊর্ধ্বপাতন - প্রতিটি পরিবর্তন কেন ঘটে।
পরমাণুর গঠন: প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন প্রোটনের সংখ্যাই মৌলের পরিচয়। পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ আর আয়ন - সবটুকু সহজ বাংলায়, উদাহরণসহ।
অ্যাসিড, ক্ষার ও pH স্কেল: ঘরে বসে পরীক্ষা pH স্কেল ০ থেকে ১৪, ৭ নিরপেক্ষ। লেবুর রস, ভিনেগার, সাবান আর চুন কোথায় পড়ে, আর হলুদ-কাগজ দিয়ে ঘরেই কীভাবে পরীক্ষা করবেন।
মৌলের ক্ষুদ্র কণা ও একাধিক পরমাণুর বন্ধন সহজ উদাহরণে আলাদা করে চিনুন।
উপাদান, নির্দিষ্ট অনুপাত এবং আলাদা করার পদ্ধতি দিয়ে মিশ্রণ-যৌগ বুঝুন।
অ্যাসিড, ক্ষার ও pH-এর ধারণা এবং নিরাপদ পরীক্ষার নিয়ম বাংলায় জানুন।
বাষ্পীভবন ও স্ফটিক গঠনের ধারণা নিরাপদ ছোট পর্যবেক্ষণে শিখুন।
অবস্থার পরিবর্তন ও নতুন পদার্থ তৈরির তফাত বুঝে ভৌত-রাসায়নিক পরিবর্তন চিনুন।
দ্রবীভবন, দ্রাবক-দ্রব এবং নাড়ানো বা তাপের প্রভাব সহজভাবে বুঝুন।
ভর-আয়তনের অনুপাত ও পানি-তেলের উদাহরণে ঘনত্বের ভূমিকা জানুন।
পর্যায় সারণিতে মৌলের নাম, প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা, সারি ও স্তম্ভ কীভাবে পড়তে হয়–উদাহরণ ও খেলার ছকে।
রাসায়নিক ও ভৌত পরিবর্তনের পার্থক্য, বিক্রিয়ার লক্ষণ, সমীকরণের ধারণা এবং নিরাপদ পর্যবেক্ষণ কাজ।
গাছ, প্রাণী ও শরীর
১২টি লেখাসালোকসংশ্লেষণ কীভাবে হয়, গাছের কোন অংশের কী কাজ, আর প্রাণীর শ্রেণিবিভাগে শুশুক কেন মাছ নয়।
সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে: গাছ কীভাবে নিজের খাবার বানায় মূল লেখা রোদ, পানি আর কার্বন ডাই-অক্সাইড দিয়ে পাতায় চিনি তৈরি হয়, আর উদ্বৃত্ত হিসেবে বেরোয় অক্সিজেন। সমীকরণ, ধাপ আর শ্বসনের সঙ্গে পার্থক্য।
গাছের অংশ ও তাদের কাজ মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল, বীজ, শাখা, ছাল আর শিরা - প্রতিটি অংশের একটাই মূল কাজ, আর সেটা জানলে গোটা গাছটা বোঝা যায়।
প্রাণীর শ্রেণিবিভাগ: মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী স্তন্যপায়ী, পাখি, সরীসৃপ, উভচর আর মাছ - পাঁচটি মেরুদণ্ডী শ্রেণির চেনার উপায়, আর শুশুক কেন মাছ নয় তার কারণ।
সালোকসংশ্লেষণে আলো, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড কীভাবে শর্করা তৈরিতে লাগে জানুন।
শিকড়, কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল কীভাবে একসঙ্গে গাছকে বাঁচতে সাহায্য করে।
অঙ্কুরোদ্গমে পানি, অক্সিজেন, উপযুক্ত তাপমাত্রা ও বীজের ভেতরের সঞ্চিত খাদ্যের ভূমিকা।
উৎপাদক, ভোক্তা ও পচনকারীর সম্পর্ক দিয়ে বাস্তুতন্ত্রে শক্তির প্রবাহ চিনুন।
স্তন্যপায়ী প্রাণীর ফুসফুস, বাচ্চা জন্ম ও দুধ খাওয়ানোর বৈশিষ্ট্য দিয়ে ডলফিন চিনুন।
হৃদ্যন্ত্রের প্রকোষ্ঠ, রক্তনালি ও ফুসফুসের সঙ্গে রক্ত চলাচলের সহজ ধারণা।
আবাসস্থল, খাদ্যজাল ও জীববৈচিত্র্যের সম্পর্ক দিয়ে স্থানীয় প্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্ব জানুন।
আম, কাঁঠাল, বট, সুন্দরী, গোলপাতা ও পরিচিত গাছের বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল এবং শিশুদের নিরাপদ প্রকৃতি-জার্নাল।
পরিচিত ভেষজ ও মশলা গাছের উদ্ভিদবৈজ্ঞানিক পরিচয়, রান্নায় ব্যবহার ও চিকিৎসা-দাবি যাচাইয়ের নিরাপদ গাইড।
খাদ্য, থালা ও নিরাপত্তা
১২টি লেখাখাদ্যের ছয় উপাদান, সুষম থালা কীভাবে সাজাবেন, আর নিরাপদ খাবারের কয়েকটা ঘরোয়া অভ্যাস।
খাদ্যের ছয় উপাদান: কোনটা কী কাজ করে মূল লেখা শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি - প্রতিটির কাজ, সস্তা উৎস আর একটা বাঙালি থালায় সবগুলো কীভাবে আসে।
সুষম খাবার: একটা থালা কীভাবে সাজাবেন অর্ধেক থালা শাকসবজি, এক চতুর্থাংশ শস্য, এক চতুর্থাংশ আমিষ। নাশতা, দুপুর, রাত আর টিফিনের আলাদা হিসাব, বাঙালি খাবার দিয়েই।
নিরাপদ খাবার: হাত ধোয়া থেকে ফরমালিন পানি ফোটানো, মেয়াদ দেখা, খাবার ঢেকে রাখা আর টাটকা মাছ চেনার উপায়। ঘরোয়া কয়েকটা অভ্যাস যা অসুখের খরচ সবচেয়ে বেশি কমায়।
বিভিন্ন খাদ্যগোষ্ঠী, বৈচিত্র্য ও বয়সভেদে চাহিদার সহজ ধারণা নিন।
খাদ্যের তিনটি বড় উপাদানকে শক্তি, বৃদ্ধি ও শরীরের কাজে তাদের ভূমিকা দিয়ে বুঝুন।
স্থানীয় মৌসুম, স্বাদ, প্রাপ্যতা ও খাবারের বৈচিত্র্য নিয়ে পরিবারে আলোচনা করুন।
চাষ, কাটা, মাড়াই, শুকানো, চালকল ও রান্নার ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
উপকরণ, তারিখ, সংরক্ষণ নির্দেশ ও অ্যালার্জির তথ্য পড়ার শিশু-উপযোগী উপায়।
তাপ, পানি, গঠন ও জীবাণু কমানোর দিক থেকে রান্নার প্রভাব বুঝুন।
পরিষ্কার রাখা, কাঁচা-পাকা আলাদা রাখা, ভালোভাবে রান্না, নিরাপদ তাপমাত্রা ও পানি-খাদ্যনিরাপত্তার মূল কথা।
বাংলার খাবারে শস্য, ডাল, মাছ, সবজি ও ঋতুভিত্তিক পিঠার ভূমিকা–খাদ্যগোষ্ঠী, থালা ও সংস্কৃতি নিয়ে গাইড।
মশলা গাছের কোন অংশ, গন্ধ ও রং কীভাবে খাবারে আসে, শুকনো মশলা সংরক্ষণ এবং শিশুদের নিরাপদ ইন্দ্রিয়-অন্বেষণ।
ভগ্নাংশ, ক্ষেত্রফল ও একক
১৩টি লেখাভগ্নাংশ-দশমিক-শতকরার যাতায়াত, ক্ষেত্রফল আর পরিসীমার পার্থক্য, আর মেট্রিক ও দেশি এককের হিসাব।
ভগ্নাংশ, দশমিক ও শতকরা: তিনটাই একই জিনিস মূল লেখা অর্ধেক মানে ১/২, ০.৫ আর ৫০% - তিনভাবে লেখা একই মান। রূপান্তরের নিয়ম, সমতুল ভগ্নাংশ, তুলনা আর অনুপাতে ভাগ, উদাহরণসহ।
ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা: সূত্র আর পার্থক্য পরিসীমা চারপাশের দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল ভেতরের জায়গা। আয়ত, ত্রিভুজ ও বৃত্তের সূত্র, এককের পার্থক্য আর কেন দুটো গুলিয়ে যায়।
পরিমাপের একক ও রূপান্তর: মিটার, কেজি, লিটার কিলো, সেন্টি আর মিলি মানে কী, কেন দশ দিয়ে গুণ-ভাগ করলেই কাজ হয়, আর বাংলাদেশে চালু দেশি এককগুলো কত।
একই অঙ্ক একক, দশক বা শতকের ঘরে থাকলে মান কেন বদলে যায়, উদাহরণে শিখুন।
সমান দল, বারবার যোগ এবং মোট পরিমাণের ভাষা থেকে উপযুক্ত হিসাব বেছে নিন।
লব ও হর একই অনুপাতে বদলালে ভগ্নাংশের মান কেন একই থাকে তা ছবি দিয়ে শিখুন।
একটি আকারের ভেতরের জায়গা ও চারপাশের দৈর্ঘ্য মেপে দুই ধারণা আলাদা করুন।
১০০ সেন্টিমিটার এক মিটার এবং ১০০০ মিটার এক কিলোমিটার-একক রূপান্তর গুছিয়ে শিখুন।
শিরোনাম, অক্ষের একক, স্কেল ও বার তুলনা করে ছবির তথ্য ঠিকভাবে পড়ুন।
মোট দাম, দেওয়া টাকা ও ফেরতের যোগফল দিয়ে হিসাব মিলিয়ে দেখুন।
বিন্দু, রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, বহুভুজ ও বৃত্তের পরিচয়; ক্ষেত্রফল-পরিসীমা থেকে পার্থক্য ও ঘরের নিরাপদ কাজ।
ধারা, আকৃতির প্যাটার্ন, যুক্তি ও সুডোকুর নিয়ম খোঁজা–উত্তর অনুমান নয়, প্রমাণ করার সহজ পদ্ধতি।
চলককে অজানা মানের প্রতীক হিসেবে চিনে সমীকরণ সমাধান, উল্টো কাজ দিয়ে যাচাই এবং ভুল ধারণা এড়ানোর পাঠ।
আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন
১৩টি লেখাশিশুর রাগ সামলানোর কী কাজে দেয়, ভালো ও খারাপ স্পর্শ কীভাবে শেখাবেন, আর অনলাইনের পাঁচটা বিপদ।
শিশুর রাগ সামলানো: কী কাজে দেয়, কী দেয় না মূল লেখা রাগ খারাপ আবেগ নয়, সামলানো না শিখলে সমস্যা। শান্ত হওয়ার কয়েকটা উপায়, কোনগুলো আগুনে ঘি, আর বড়দের ভূমিকা।
শিশুর নিরাপত্তা: ভালো ও খারাপ স্পর্শ কীভাবে শেখাবেন ভয় না দেখিয়ে শেখানোর উপায় - শরীরের উপর নিজের অধিকার, "না" বলার অধিকার, আর যে কথাটা শুনলেই বড়দের জানাতে হবে।
শিশুর অনলাইন নিরাপত্তা: কী শেখাবেন, কী নিয়ম করবেন ব্যক্তিগত তথ্য, অচেনা মেসেজ, সাইবার বুলিং, ভুয়া খবর আর গেমে কেনাকাটা - পাঁচটা বিপদ আর প্রতিটার জন্য একটা করে সহজ নিয়ম।
রাগের সময় শরীরের সংকেত শনাক্ত করে থামা, শ্বাস ও সাহায্য চাওয়ার কৌশল শিখুন।
শোনা, নিজের অনুভূতি বলা, দায় নেওয়া ও সম্মত সমাধান খুঁজে বন্ধুত্ব মেরামত করুন।
চোখের যোগাযোগ বাধ্যতামূলক না করে মনোযোগ, বিরতি ও বোঝা যাচাইয়ের কৌশল।
ব্যক্তিগত সীমা বলা, অন্যের না-কে সম্মান এবং অস্বস্তিতে বিশ্বস্ত বড়কে জানানোর পাঠ।
নাম-ঠিকানা, পাসওয়ার্ড, ছবি ও সন্দেহজনক লিংক নিয়ে শিশুদের সহজ নিরাপত্তা নিয়ম।
অনুভূতির নাম দেওয়া, ছোট ধাপ, শ্বাস ও বিশ্বস্ত সহায়তার সহজ কৌশল।
পালা, ভিন্ন দক্ষতা ও সহজ নিয়ম দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক দলগত খেলা গড়ুন।
ধন্যবাদ, অনুমতি, পালা, রুটিন ও নিজের কাজের দায়িত্ব–শাস্তি নয়, স্পষ্ট অনুশীলন ও সহানুভূতির পথে শেখান।
শোনা, প্রশ্ন করা, অনুভূতি বলা, পালা করে কথা ও মতভেদে সম্মান–ঘরের বাস্তব অনুশীলন ও বাক্য-ছক।
ভিন্নতা সম্মান, প্রতিবন্ধী সহপাঠীর অংশগ্রহণ, বুলিং দেখলে সহায়তা ও ন্যায্য দলগত খেলার উদাহরণ।
পরীক্ষা, পদ্ধতি ও যন্ত্র
১৩টি লেখারান্নাঘরের জিনিসে ছয়টা পরীক্ষা, বিজ্ঞানের পদ্ধতির সাত ধাপ, আর পরিমাপের যন্ত্রগুলোর চেনা ভুল।
ঘরে বসে বিজ্ঞান পরীক্ষা: ছয়টা, রান্নাঘরের জিনিসে মূল লেখা ডিম ভাসানো, বেকিং সোডার আগ্নেয়গিরি, ঘনত্বের স্তর, রংধনু কাগজ, বেলুন রকেট আর ছায়া ঘড়ি - প্রতিটার পেছনের কারণসহ।
বিজ্ঞানের পদ্ধতি: প্রশ্ন থেকে সিদ্ধান্ত প্রশ্ন, অনুমান, পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ, তথ্য, সিদ্ধান্ত আর পুনরাবৃত্তি - সাতটা ধাপ, আর কেন ভুল প্রমাণিত হওয়াটাও সফলতা।
পরিমাপের যন্ত্র: কোনটা কী মাপে, আর কীভাবে থার্মোমিটার, দাঁড়িপাল্লা, মাইক্রোস্কোপ, দূরবীন, কম্পাস, ব্যারোমিটার - প্রতিটির কাজ আর ব্যবহারের সময় যে ভুলটা সবচেয়ে বেশি হয়।
একবারে একটি কারণ বদলে, অন্য শর্ত একই রেখে পরীক্ষার ফল তুলনা করুন।
ইন্দ্রিয় বা যন্ত্রে দেখা তথ্য এবং সেই তথ্যের ব্যাখ্যা আলাদা করে লিখুন।
সমস্যা বোঝা, ধারণা আঁকা, প্রোটোটাইপ বানানো, পরীক্ষা ও উন্নতির ধাপ অনুসরণ করুন।
নিরাপদ খেলনা বা টর্চে রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক, আলো, শব্দ ও গতিশক্তির পরিবর্তন চিহ্নিত করুন।
লোহা-ইস্পাতের চৌম্বক আকর্ষণ ও অ্যালুমিনিয়াম-তামার মতো ধাতুর পার্থক্য পরীক্ষা করুন।
দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা ও তরলের আয়তনের জন্য সঠিক সরঞ্জাম বেছে নিন।
শিলা চক্র এবং পলিতে সংরক্ষিত প্রাচীন জীবের চিহ্ন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিন।
একক প্রতিভার গল্পের বাইরে বহু উদ্ভাবক, ব্যবহারকারী ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনে আবিষ্কারের ইতিহাস শেখার গাইড।
ইনপুট, প্রসেসিং, মেমোরি, আউটপুট, ইন্টারনেট ও অ্যালগরিদমের পার্থক্য–কাগজে নিরাপদ মডেলসহ।
জগদীশচন্দ্র বসু, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, মেঘনাদ সাহা ও ফজলুর রহমান খানের মতো বিজ্ঞানীদের ক্ষেত্র, অবদান যাচাই ও গবেষণার গল্প।