পসরাজ্ঞানের পসরা

পসরা / লেখা / আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন

আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন

বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া হলে মিটমাট করব কীভাবে?

২ মিনিট পড়া · হালনাগাদ

বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া হলে মিটমাট করব কীভাবে? বিষয়ের রঙিন ধারণাচিত্র

ঝগড়া হলেই বন্ধুত্ব শেষ হয় না; তবে নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা দরকার।

🧠পড়তে পড়তে নিজেকে যাচাই করোক্ষমা চাইলে কি অন্যজনকে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা করতেই হবে?উত্তর দেখো
ভাবনার সূত্র

না। দুজনই নিজের অনুভূতির সময় নিতে পারে; নিরাপত্তা ও আচরণ সংশোধন জরুরি।

কেন বিষয়টি জানা দরকার

দুঃখিত বলা তখনই অর্থবহ যখন আচরণ বদলায়

দুঃখিত বলা তখনই অর্থবহ যখন আচরণ বদলায়। অপরজন ক্ষমা গ্রহণে প্রস্তুত নাও হতে পারে; তাকে সময় দিতে হবে। বারবার অপমান, ভয় দেখানো বা মারধর সাধারণ ঝগড়া নয়।

একটি উদাহরণ ভেঙে দেখি

“পেন্সিল ফেরত না দেওয়া” কাল্পনিক ঘটনায় দুই পক্ষের কথা লিখে এমন সমাধান বানাও যাতে পেন্সিল ফেরে এবং পরেরবার অনুমতি নে…

“পেন্সিল ফেরত না দেওয়া” কাল্পনিক ঘটনায় দুই পক্ষের কথা লিখে এমন সমাধান বানাও যাতে পেন্সিল ফেরে এবং পরেরবার অনুমতি নেওয়া হয়।

  1. প্রথমে ক্ষমা চাইলে কি অন্যজনকে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা করতেই হবে? প্রশ্নটি নিজের ভাষায় বলো।
  2. উদাহরণে কী দেখা, মাপা বা তুলনা হচ্ছে তা চিহ্নিত করো।
  3. এবার কারণটি ব্যাখ্যা করো; শুধু ফল মুখস্থ কোরো না।

নিজে দেখে শেখার মিশন

ধমক বা সহিংসতা থাকলে একা মেটানোর চেষ্টা না করে শিক্ষক/বিশ্বস্ত বড়কে বলো

ধমক বা সহিংসতা থাকলে একা মেটানোর চেষ্টা না করে শিক্ষক/বিশ্বস্ত বড়কে বলো।

  • কাজ শুরুর আগে কী হবে বলে মনে হয়, এক বাক্যে অনুমান করো।
  • যা সত্যিই দেখেছ/হিসাব করেছ তা লিখে রাখো; অনুমান থেকে আলাদা রাখো।
  • কাজ শেষে কী শিখলে এবং কোন প্রশ্ন রয়ে গেল, নিজের ভাষায় বলো।

সম্মতি, অনুভূতি ও নিরাপদ বড়দের গুরুত্ব দাও

সামাজিক দক্ষতার অনুশীলন কোনো শিশুকে নিরাপত্তার ঝুঁকি সহ্য করতে শেখায় না

সামাজিক দক্ষতার অনুশীলন কোনো শিশুকে নিরাপত্তার ঝুঁকি সহ্য করতে শেখায় না। অস্বস্তি হলে “না” বলা, স্থান ছেড়ে যাওয়া এবং বিশ্বস্ত বড়কে জানানো ঠিক; গুরুতর উদ্বেগ বা বিপদে অনলাইন লেখার বদলে উপযুক্ত স্থানীয় সহায়তা নাও।

  • শিশু কি নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ?
  • কেউ কি সীমা বা গোপনীয়তা মানছে না?
  • কোন বিশ্বস্ত বড়কে জানানো যায়?

সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন

ক্ষমা চাইলে কি অন্যজনকে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা করতেই হবে?

না। দুজনই নিজের অনুভূতির সময় নিতে পারে; নিরাপত্তা ও আচরণ সংশোধন জরুরি।

এবার নিজে নেড়ে দেখো

আরও যাচাই করে পড়ো

নিচের সূত্রগুলো বিষয়টি আরও গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। জরুরি, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার সিদ্ধান্তে প্রযোজ্য স্থানীয় সরকারি নির্দেশও দেখো।

এবার হাতে-কলমে

এই পড়া থেকে পরের ধাপে যাও

লেখায় ধারণাটা বুঝে নাও, তারপর পসরা ভুবনে বিষয়টি খুঁজে দেখো বা কাছের আরেকটি বিষয় শেখো।

← সব লেখা · আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন ভুবনে যাও

হোয়াটসঅ্যাপ