পসরাজ্ঞানের পসরা

মহাকাশ ভুবন · সৌরজগৎ

সূর্য

Sun · আমাদের নিজের তারা

তারা৫,৫০০ °Cহাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
আমার অগ্রগতি
স্তর ১নবীন ⚡ ০ জ্ঞানবিন্দু 🔥 ১ দিন আজ

করে দেখোগ্রহে চাপো, টেনে ঘোরাও, তারপর পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করো

গ্রহে ক্লিক করো - আরও কাছ থেকে দেখো

কক্ষপথ, গ্রহের মাপ ও দূরত্ব একই অনুপাতে নয়

সৌরজগৎ এক নজরে নিজে নিজে বদলাচ্ছে

আরও ঘেঁটে দেখো

সূর্য মাপো ও তুলনা করো

পড়ার পর সংখ্যাগুলো নিয়ে খেলো · মাপ, দূরত্ব, রেকর্ড আর পরিচিতি একসঙ্গে।

কত বড়

কতদিনে পৌঁছাবে
গাড়িতে১৭১ বছর
প্লেনে১৯ বছর
রকেটে১০৭ দিন
আলোর বেগে৮ মিনিট
রেকর্ডসৌরজগতে
যন্ত্রএই জগতের হিসাব
০১
ওজন মাপো

০২
আলো কতক্ষণে পৌঁছায়

০৩
তুলনা করো

উপরে “তুলনা” চেপে অন্য একটি গ্রহ বেছে নাও - সংখ্যাগুলো পাশাপাশি দেখাবে।

পরিচিতি
কতদূর হলো ০ / ১১

সূর্য সম্পর্কে

Sun · আমাদের নিজের তারা

তারা৫,৫০০ °Cহাইড্রোজেন ও হিলিয়াম

ছোট বয়স ৫–৮

সূর্য একটা বিশাল আগুনের বল - আসলে একটা তারা! এটা এত বড় যে এর ভেতরে ১০ লাখ পৃথিবী ঢুকে যাবে। সূর্যের আলো আর তাপ না থাকলে পৃথিবীতে কোনো গাছ, প্রাণী বা মানুষ থাকত না।

মাঝারি বয়স ৯–১২

সূর্য একটি মাঝারি আকারের তারা, যা মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। এর কেন্দ্রে হাইড্রোজেন পরমাণু জুড়ে গিয়ে হিলিয়াম হয় - এই প্রক্রিয়ার নাম নিউক্লিয়ার ফিউশন, আর এখান থেকেই আসে সব আলো ও তাপ। সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড লাগে। সৌরজগতের মোট ভরের ৯৯.৮% সূর্যের।

বড় বয়স ১৩+

সূর্য একটি G2V শ্রেণির মূল-ধারার তারা। কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় ১.৫ কোটি কেলভিন, যেখানে প্রতি সেকেন্ডে ৬০ কোটি টন হাইড্রোজেন হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়; ভরের যে অংশটুকু হারায়, সেটিই E = mc² অনুযায়ী শক্তি। সূর্যের বয়স প্রায় ৪৬০ কোটি বছর, আর একই পরিমাণ জ্বালানি বাকি আছে; তারপর এটি লাল দানবে পরিণত হবে। বাংলাদেশে সৌরশক্তি এখন গ্রামীণ বিদ্যুতের অন্যতম উৎস - ৬০ লাখের বেশি সোলার হোম সিস্টেম চালু আছে।

মজার তথ্যসূর্যের ভেতরে ১৩ লাখ পৃথিবী এঁটে যাবে।

সূর্যের সংখ্যা

মাধ্যাকর্ষণ
২৭.৯ g
পৃষ্ঠের তাপমাত্রা
৫,৫০০ °C
ব্যাস
১৩,৯২,৭০০ কিমি
বয়স
৪৬০ কোটি বছর
একবার ঘুরতে
২৫ দিন
গ্রহ
৮টি

সূর্যের ভেতরে

কেন্দ্র

সূর্যের ভেতরের তাপমাত্রা প্রায় ১.৫ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখানে প্রতি সেকেন্ডে ৬০ কোটি টন হাইড্রোজেন জুড়ে গিয়ে হিলিয়াম হয় - এই ফিউশন থেকেই সব আলো আর তাপ আসে।

পৃষ্ঠ

যে উজ্জ্বল পৃষ্ঠটা আমরা দেখি তার নাম ফটোস্ফিয়ার, তাপমাত্রা ৫,৫০০°C। এখানে মাঝে মাঝে কালো দাগ দেখা যায় - সৌরকলঙ্ক, যেগুলো আশপাশের চেয়ে ঠান্ডা।

করোনা

সূর্যের বাইরের আবরণ করোনা পৃষ্ঠের চেয়েও গরম - প্রায় ১০ লাখ ডিগ্রি! কেন এত গরম তা এখনো পুরোপুরি রহস্য। পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় খালি চোখে এটি দেখা যায়।

সৌরবায়ু

সূর্য থেকে অবিরাম কণার স্রোত ছুটে আসে - সৌরবায়ু। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে ধাক্কা খেয়ে এরাই মেরু অঞ্চলে রঙিন মেরুজ্যোতি তৈরি করে।

সৌরজগতের বাকি সব

সৌরজগৎ সূর্য বুধ শুক্র পৃথিবী চাঁদ মঙ্গল বৃহস্পতি শনি ইউরেনাস নেপচুন প্লুটো

← সব ভুবন · প্রশ্ন বা পরামর্শ?