পসরাজ্ঞানের পসরা

মহাকাশ ভুবন · সৌরজগৎ

নেপচুন

Neptune · ঝড়ো নীল সীমান্ত

বরফ দানব−২০০ °C১৬ চাঁদ
আমার অগ্রগতি
স্তর ১নবীন ⚡ ০ জ্ঞানবিন্দু 🔥 ১ দিন আজ

করে দেখোগ্রহে চাপো, টেনে ঘোরাও, তারপর পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করো

গ্রহে ক্লিক করো - আরও কাছ থেকে দেখো

কক্ষপথ, গ্রহের মাপ ও দূরত্ব একই অনুপাতে নয়

সৌরজগৎ এক নজরে নিজে নিজে বদলাচ্ছে

আরও ঘেঁটে দেখো

নেপচুন মাপো ও তুলনা করো

পড়ার পর সংখ্যাগুলো নিয়ে খেলো · মাপ, দূরত্ব, রেকর্ড আর পরিচিতি একসঙ্গে।

কত বড়

কতদিনে পৌঁছাবে
গাড়িতে৪,৯০৯ বছর
প্লেনে৫৪৫ বছর
রকেটে৮ বছর
আলোর বেগে৪.০ ঘণ্টা
রেকর্ডসৌরজগতে
যন্ত্রএই জগতের হিসাব
০১
ওজন মাপো

০২
আলো কতক্ষণে পৌঁছায়

০৩
তুলনা করো

উপরে “তুলনা” চেপে অন্য একটি গ্রহ বেছে নাও - সংখ্যাগুলো পাশাপাশি দেখাবে।

পরিচিতি
কতদূর হলো ০ / ১১

নেপচুন সম্পর্কে

Neptune · ঝড়ো নীল সীমান্ত

বরফ দানব−২০০ °C১৬ চাঁদ

ছোট বয়স ৫–৮

নেপচুন সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ - গাঢ় নীল আর ভীষণ ঝড়ো। এখানে বাতাস এত জোরে বয় যে সৌরজগতে আর কোথাও তেমন নেই। নেপচুন আবিষ্কারের পর থেকে মাত্র একবার সূর্যকে ঘুরে এসেছে!

মাঝারি বয়স ৯–১২

নেপচুনে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ২,১০০ কিমি - শব্দের চেয়েও দ্রুত। ১৯৮৯-এ ভয়েজার-২ একটি "বৃহৎ কালো দাগ" দেখেছিল, পৃথিবীর আকারের ঝড়। নেপচুনকে প্রথমে দূরবীনে নয়, গণিতে খুঁজে পাওয়া হয়েছিল - ইউরেনাসের কক্ষপথে টান দেখে ১৮৪৬ সালে হিসাব করে বলা হয় আরেকটি গ্রহ আছে, আর সেই রাতেই দূরবীনে সেটি পাওয়া যায়।

বড় বয়স ১৩+

নেপচুন সূর্য থেকে যত তাপ পায় তার ২.৬ গুণ বিকিরণ করে - অভ্যন্তরীণ তাপই তার প্রচণ্ড ঝড়ের শক্তি। এর সবচেয়ে বড় চাঁদ ট্রাইটন উল্টো দিকে ঘোরে, তাই সম্ভবত কাইপার বেল্ট থেকে ধরা পড়া বস্তু; এর পৃষ্ঠে নাইট্রোজেনের গিজার আছে। ট্রাইটন ধীরে ধীরে নেপচুনের দিকে সরছে ও ৩৬০ কোটি বছর পর ভেঙে বলয় হবে। নেপচুনের বাইরে কাইপার বেল্ট, যেখানে প্লুটো ও অসংখ্য বরফ-বস্তু আছে।

মজার তথ্যনেপচুনে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ২,১০০ কিমি - শব্দের চেয়ে দ্রুত।

নেপচুনের সংখ্যা

মাধ্যাকর্ষণ
১.১৪ g
তাপমাত্রা
−২০০ °C
চাঁদ
১৬
এক দিন
১৬ ঘণ্টা
এক বছর
১৬৫ বছর
সূর্য থেকে দূরত্ব
৩০ AU

নেপচুনের ভেতরে

সবচেয়ে জোরে বাতাস

ঘণ্টায় ২,১০০ কিমি - শব্দের চেয়েও দ্রুত। সূর্য থেকে যত তাপ পায় তার ২.৬ গুণ নিজে বিকিরণ করে, এই ভেতরের তাপই ঝড়ের শক্তি।

বৃহৎ কালো দাগ

১৯৮৯ সালে ভয়েজার-২ পৃথিবীর আকারের একটা কালো ঝড় দেখেছিল। কয়েক বছর পরে সেটি মিলিয়ে যায়, পরে অন্য জায়গায় নতুন দাগ দেখা দেয়।

ট্রাইটন

নেপচুনের উল্টো দিকে ঘোরে - তাই সম্ভবত কাইপার বেল্ট থেকে ধরা পড়া বস্তু। এর পৃষ্ঠে নাইট্রোজেনের গিজার থেকে গ্যাস ছিটকে ওঠে।

গণিতে আবিষ্কার

নেপচুন প্রথমে দূরবীনে নয়, কাগজে-কলমে পাওয়া গেছে। ইউরেনাসের কক্ষপথে টান দেখে হিসাব করে বলা হয় আরেকটি গ্রহ আছে - আর সেই রাতেই সেটি ধরা পড়ে।

সৌরজগতের বাকি সব

সৌরজগৎ সূর্য বুধ শুক্র পৃথিবী চাঁদ মঙ্গল বৃহস্পতি শনি ইউরেনাস নেপচুন প্লুটো

← সব ভুবন · প্রশ্ন বা পরামর্শ?