পসরাজ্ঞানের পসরা

ভুবন / পদার্থবিজ্ঞান

ভুবন · Physics

পদার্থবিজ্ঞান

বল, শক্তি, আলো ও বিদ্যুৎ

৭ বিভাগ ৬৫ আইটেম বয়স ৮+
আমার অগ্রগতি
স্তর ১নবীন ⚡ ০ জ্ঞানবিন্দু 🔥 ১ দিন আজ

করে দেখোঢালু তলের কোণ স্লাইডারে বদলাও - বল গড়িয়ে পড়ে, ঢাল যত বাড়ে বেগও তত বাড়ে।

গোল ছবিগুলোয় ক্লিক করো · টেনে ঘোরাও · খুলে দেখো টানো

কোণ ০°

ধারণা বোঝানোর মডেল · মাপ ও দূরত্ব একই অনুপাতে নয়

বিভাগ ০১

বল ও গতি

পর্দায়ঢালু তলের কোণ স্লাইডারে বদলাও - বল গড়িয়ে পড়ে, ঢাল যত বাড়ে বেগও তত বাড়ে।

০ / ১০ দেখা

নিচের যেকোনোটিতে ক্লিক করো - ডানে তার পুরো কথা খুলবে

পদার্থবিজ্ঞান এক নজরে নিজে নিজে বদলাচ্ছে

এই ভুবনে তোমার যাত্রা সবে শুরু।

এরপর কোথায়এই পাতার বাইরে

বাকি ১০টি ভুবন

রেকর্ডএই ভুবনে

বড়দের জন্য: পসরা পরিবার · স্কুলের জন্য · প্রশ্ন বা পরামর্শ

সবকিছু এক জায়গায়

পদার্থবিজ্ঞান ভুবনের পুরো তালিকা

৭টি বিভাগ, ৬৫টি বিষয়। নিচের যেকোনো শিরোনামে চাপলে ছোট লেখাটা খুলবে। “মডেলে কাছে গিয়ে দেখো” চাপলে উপরের দৃশ্যে সেই বিষয়টি আলাদা করে বড় হবে।

বিভাগ ০১বল ও গতি ১০টি

ঢালু তলের কোণ স্লাইডারে বদলাও - বল গড়িয়ে পড়ে, ঢাল যত বাড়ে বেগও তত বাড়ে।

বল কীবলধাক্কা বা টান

বল হলো এমন একটা ধাক্কা বা টান যা কোনো জিনিসকে নড়াতে, থামাতে বা এর আকার বদলাতে পারে।

মজার তথ্যমহাকাশে বাতাস না থাকায় সেখানে ছোট্ট একটা ধাক্কাও কাউকে বহুদূর ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে, কারণ থামানোর কোনো ঘর্ষণ থাকে না।

নিউটনের প্রথম সূত্রপ্রথম সূত্রজড়তার সূত্র

নিউটনের প্রথম সূত্র বলে, বাইরে থেকে বল না দিলে স্থির জিনিস স্থিরই থাকে, আর চলন্ত জিনিস একই গতিতে চলতেই থাকে।

মজার তথ্যমহাকাশযান একবার গতি পেলে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলেও একই গতিতে চলতে থাকে, কারণ ঘর্ষণ থামানোর মতো কিছু নেই।

দ্বিতীয় সূত্রF=ma

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র বলে, কোনো জিনিসে যত বেশি বল দেওয়া হয়, সেটা তত দ্রুত গতি বদলায় (ত্বরণ পায়)।

মজার তথ্যরকেট উৎক্ষেপণের সময় প্রথম কয়েক সেকেন্ডে জ্বালানি পুড়ে ভর কমতে থাকায় একই ইঞ্জিন-বলে রকেট ক্রমশ আরও দ্রুত ত্বরণ পেতে থাকে।

তৃতীয় সূত্রক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া

নিউটনের তৃতীয় সূত্র বলে, প্রতিটা বলের একটা সমান ও বিপরীত প্রতি-বল থাকে।

মজার তথ্যরকেট জ্বালানি পুড়িয়ে গ্যাস নিচে-পেছনে ছুড়ে দেয় বলেই প্রতি-বলে রকেট ওপরে ওঠে - এটাই তৃতীয় সূত্রের সবচেয়ে বড় ব্যবহার।

জড়তাবদল না চাওয়া

জড়তা হলো কোনো জিনিসের নিজের গতিবস্থা (স্থির বা চলমান) ধরে রাখার স্বাভাবিক প্রবণতা।

মজার তথ্যটেবিলক্লথ খুব দ্রুত টেনে নিলে ওপরের প্লেট জায়গায় থেকে যায় - এটাই জড়তার একটা জনপ্রিয় (কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ) কৌশল।

ঘর্ষণগতি বাধা

ঘর্ষণ হলো দুটো পৃষ্ঠ একে অপরের সাথে ঘষা খেলে যে বাধা তৈরি হয়, যা গতিকে ধীর করে দেয়।

মজার তথ্যহাত দুটো জোরে ঘষলে গরম লাগে - এটাই ঘর্ষণের কারণে তৈরি হওয়া তাপ, একদম হাতে-কলমে টের পাওয়া যায়।

মাধ্যাকর্ষণপৃথিবীর টান

মাধ্যাকর্ষণ হলো একটা অদৃশ্য টান যা সব কিছুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টেনে ধরে রাখে।

মজার তথ্যচাঁদে মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ, তাই সেখানে নভোচারীরা লাফালে অনেক উঁচুতে উঠে যান।

ভরবেগভর × গতি

ভরবেগ বলে দেয় কোনো চলন্ত জিনিসকে থামানো কতটা কঠিন - এটা নির্ভর করে বস্তুর ভর আর গতির ওপর।

মজার তথ্যবিলিয়ার্ড খেলায় একটা বল আরেকটাকে আঘাত করলে ভরবেগ বদল হয়েই বলগুলো নতুন দিকে ছোটে - খেলোয়াড়রা না জেনেই এই সূত্র ব্যবহার করেন।

চাপজায়গা অনুযায়ী বল

চাপ বলে দেয় একটা নির্দিষ্ট জায়গার ওপর কতটা বল পড়ছে - একই বল ছোট জায়গায় পড়লে চাপ বেশি হয়।

মজার তথ্যউটের পায়ের তলা চওড়া বলে বালির ওপর চাপ কম পড়ে, তাই এটা বালিতে দেবে না গিয়ে সহজে হাঁটতে পারে।

ভাসা ও ডোবাঘনত্ব

পানির চেয়ে হালকা জিনিস পানিতে ভাসে, আর ভারী জিনিস ডুবে যায় - এটা নির্ভর করে বস্তুর ঘনত্বের ওপর।

মজার তথ্যমৃত সাগরের পানি এত লবণাক্ত যে এর ঘনত্ব মানুষের শরীরের চেয়ে বেশি - তাই কেউ সাঁতার না জানলেও এখানে সহজেই ভেসে থাকতে পারে।

বিভাগ ০২শক্তি ও কাজ ৮টি

স্লাইডার টেনে দোলকের দড়ির দৈর্ঘ্য বদলাও - ছোট দড়ি দ্রুত দোলে, লম্বা দড়ি ধীরে।

গতিশক্তিচলার শক্তি

গতিশক্তি হলো কোনো চলন্ত জিনিসের মধ্যে থাকা শক্তি - যত দ্রুত চলে, তত বেশি গতিশক্তি থাকে।

মজার তথ্যদৌড়ে আসা একজন মানুষকে হঠাৎ থামানো কঠিন, কারণ তার শরীরের গতিশক্তি হঠাৎ কোথাও যেতে পারে না, এটাই ধাক্কা লাগলে ব্যথার আসল কারণ।

স্থিতিশক্তিজমা শক্তি

স্থিতিশক্তি হলো কোনো জিনিসের অবস্থানের কারণে জমা থাকা শক্তি, যা পরে গতিশক্তিতে বদলাতে পারে।

মজার তথ্যজলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উঁচু বাঁধে জমা পানির স্থিতিশক্তিই নিচে পড়ার সময় টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে।

শক্তির রূপান্তররূপান্তরএক রূপ থেকে আরেক রূপে

শক্তি কখনো হারিয়ে যায় না, শুধু এক রূপ থেকে আরেক রূপে বদলে যায় - একে বলে শক্তির রূপান্তর।

মজার তথ্যশরীরের ভেতরে খাবারের রাসায়নিক শক্তি পেশির গতিশক্তিতে বদলায় বলেই আমরা দৌড়াতে বা লাফাতে পারি।

শক্তির সংরক্ষণসংরক্ষণ সূত্রমোট শক্তি অপরিবর্তিত

শক্তির সংরক্ষণ সূত্র বলে, কোনো বদ্ধ ব্যবস্থায় মোট শক্তির পরিমাণ কখনো বাড়ে না, কমে না, শুধু রূপ বদলায়।

মজার তথ্যএকটা দোলনা কখনো নিজে নিজে আরও উঁচুতে উঠতে পারে না, কারণ তার চেয়ে বেশি শক্তি কোথাও থেকে যোগ হওয়ার উপায় নেই।

নবায়নযোগ্য শক্তিনবায়নযোগ্যফুরায় না

নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন শক্তির উৎস যা ব্যবহার করলেও ফুরিয়ে যায় না, যেমন সূর্যের আলো বা বাতাস।

মজার তথ্যবাংলাদেশের অনেক গ্রামে এখন ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে সূর্যের আলো থেকেই বিদ্যুৎ বানানো হচ্ছে।

সৌরশক্তিসূর্যের শক্তি

সৌরশক্তি হলো সূর্যের আলো থেকে পাওয়া শক্তি, যা সরাসরি বিদ্যুৎ বা তাপে বদলানো যায়।

মজার তথ্যবাংলাদেশে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ লাইন নেই এমন জায়গাতেও এখন সোলার হোম সিস্টেম দিয়ে ঘরে আলো জ্বলছে।

জলবিদ্যুৎপানির শক্তি

জলবিদ্যুৎ হলো উঁচু থেকে পড়া বা প্রবাহিত পানির শক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা বিদ্যুৎ।

মজার তথ্যকাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, যা কর্ণফুলী নদীর পানি দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে।

জ্বালানিপুড়িয়ে শক্তি

জ্বালানি হলো এমন জিনিস, যা পুড়িয়ে তাপ বা শক্তি পাওয়া যায় - কাঠ, গ্যাস, পেট্রল সবই জ্বালানি।

মজার তথ্যরান্নাঘরের চুলার গ্যাসও একটা জ্বালানি - এটা পুড়ে যে তাপ দেয়, সেটাই পানি ফুটিয়ে ভাত রান্না করে।

বিভাগ ০৩সরল যন্ত্র ৮টি

স্লাইডার টানলে তিনটে গিয়ার একসাথে ঘোরে - একটা ঘুরলে পাশেরটা উল্টো দিকে ঘোরে, ছোট গিয়ার সবচেয়ে দ্রুত।

লিভারদাঁড়িপাল্লা নীতি

লিভার হলো একটা শক্ত দণ্ড, যা একটা স্থির বিন্দুর (ফালক্রাম) ওপর ভর করে ভারী জিনিস কম বলে তোলার সুযোগ দেয়।

মজার তথ্যএকটা লম্বা লোহার রড় ব্যবহার করে একজন মানুষ একাই বিশাল পাথর সরাতে পারে - এটাই লিভারের সবচেয়ে পুরনো ব্যবহার।

কপিকলদড়ি ও চাকা

কপিকল হলো একটা চাকা যার ওপর দিয়ে দড়ি যায়, এটা বলের দিক বদলে বা কম বলে ভারী জিনিস তুলতে সাহায্য করে।

মজার তথ্যবড় বড় ক্রেন আর পতাকা তোলার দণ্ডে একাধিক কপিকল লাগানো থাকে, যাতে একজন মানুষও ভারী জিনিস টেনে তুলতে পারেন।

ঢালু তলকম বলে বেশি উচ্চতা

ঢালু তল হলো একটা তির্যক পৃষ্ঠ, যা কোনো জিনিসকে সোজা ওপরে না তুলে ধীরে ধীরে ওপরে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।

মজার তথ্যহুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য সিঁড়ির বদলে ঢালু র‍্যাম্প বানানো হয়, যাতে কম শক্তিতে ওপরে ওঠা যায়।

স্ক্রুপেঁচানো ঢালু তল

স্ক্রু আসলে একটা ঢালু তলকেই একটা দণ্ডের চারপাশে পেঁচিয়ে বানানো - এটা ঘোরালে সহজে কাঠ বা দেয়ালে ঢুকে যায়।

মজার তথ্যবয়ামের মুখের ঢাকনাও আসলে একটা স্ক্রু - ঘুরিয়ে বন্ধ করলে সহজে খুলে যায় না, কিন্তু সোজা টানলে সহজে খোলে না।

কীলকফাঁক করার যন্ত্র

কীলক হলো একটা চোখা ধারালো যন্ত্র, যা দুটো জিনিসের মধ্যে ঢুকিয়ে সেগুলোকে আলাদা করে ফেলা যায়।

মজার তথ্যদাঁতও আসলে ছোট ছোট কীলক - সামনের কাটা দাঁত খাবারকে টুকরো করে ফেলে, ঠিক কুড়ালের ধারের মতো কাজ করে।

চাকা ও অক্ষঘোরানো সহজ

চাকা আর তার মাঝের অক্ষ একসাথে ঘুরে জিনিস টানা বা ঠেলাকে অনেক সহজ করে দেয়।

মজার তথ্যমানব ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলোর একটা চাকা - এটা আবিষ্কারের আগে ভারী জিনিস সরানো ছিল অনেক কঠিন কাজ।

গিয়ারদাঁতাল চাকা

গিয়ার হলো দাঁতযুক্ত চাকা, দুটো গিয়ার জোড়া লাগলে একটা ঘুরলে অন্যটাও ঘোরে, কিন্তু উল্টো দিকে।

মজার তথ্যঘড়ির ভেতরে অনেকগুলো ছোট ছোট গিয়ার একসাথে কাজ করে বলেই সেকেন্ড, মিনিট আর ঘণ্টার কাঁটা ঠিক গতিতে ঘোরে।

যান্ত্রিক সুবিধাকতটা সহজ হলো

যান্ত্রিক সুবিধা বলে দেয় একটা যন্ত্র ব্যবহার করলে কাজটা আসলে কতটা সহজ হয়ে গেল।

মজার তথ্যবোতল খোলার ওপেনারের যান্ত্রিক সুবিধা এত বেশি যে সামান্য আঙুলের বলেই শক্ত ধাতুর ঢাকনা সহজে খুলে যায়।

বিভাগ ০৪আলো ১১টি

স্লাইডার টানলে প্রিজম থেকে বেরোনো সাত রঙের রশ্মি ছড়িয়ে বা গুটিয়ে যায়।

সরলরেখায় চলাসরলরেখাসোজা পথে চলা

আলো সবসময় সোজা পথে চলে, যতক্ষণ না কোনো জিনিস তার পথে বাধা দেয় বা দিক বদলে দেয়।

মজার তথ্যপিনহোল ক্যামেরা এই সরলরেখা নীতিতেই কাজ করে - একটা ছোট ছিদ্র দিয়ে ঢোকা আলো বাক্সের ভেতরে উল্টো একটা ছবি তৈরি করে।

ছায়াআলো আটকানো

আলোর পথে কোনো অস্বচ্ছ জিনিস এলে তার পেছনে আলো পৌঁছাতে পারে না, সেই অন্ধকার জায়গাকেই বলে ছায়া।

মজার তথ্যসূর্যঘড়ি সূর্যের ছায়ার অবস্থান দেখেই সময় বলে দিত - দিন যত গড়ায়, ছায়ার দিক আর দৈর্ঘ্য দুটোই বদলাতে থাকে।

প্রতিফলনফিরে আসা আলো

আলো কোনো মসৃণ পৃষ্ঠে পড়লে সেখান থেকে ফিরে আসে, একে বলে প্রতিফলন - আয়নায় নিজেকে দেখার এটাই কারণ।

মজার তথ্যবিড়াল বা কুকুরের চোখ অন্ধকারে চকচক করে, কারণ তাদের চোখের পেছনে একটা বিশেষ প্রতিফলক স্তর থাকে যা কম আলোকেও দ্বিতীয়বার ব্যবহার করে।

সমতল আয়নাসোজা প্রতিচ্ছবি

সমতল আয়না মসৃণ ও সোজা হয়, এতে দেখা প্রতিচ্ছবি আসল জিনিসের সমান আকারের আর সোজা হয়, কিন্তু বাম-ডান উল্টো দেখায়।

মজার তথ্যসাজঘরের আয়নায় লেখা "AMBULANCE" গাড়ির সামনে উল্টো করে লেখা হয়, যাতে সামনের গাড়ির ব্যাক-ভিউ আয়নায় সেটা সোজা করে পড়া যায়।

গোলীয় আয়নাবাঁকা আয়না

গোলীয় আয়না ভেতরের দিকে বা বাইরের দিকে বাঁকানো থাকে, তাই এতে প্রতিচ্ছবি সমতল আয়নার চেয়ে ভিন্নভাবে দেখা যায়।

মজার তথ্যগাড়ির পাশের আয়নায় লেখা থাকে "জিনিস আসলে যতটা কাছে দেখাচ্ছে তার চেয়েও কাছে আছে" - কারণ উত্তল আয়না দূরত্বকে একটু বেশি করে দেখায়।

প্রতিসরণবাঁকা পথে যাওয়া

আলো একটা স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে আরেকটায় (যেমন বাতাস থেকে পানিতে) গেলে দিক বদলে ফেলে, একে বলে প্রতিসরণ।

মজার তথ্যসাঁতারুরা পানির নিচে থেকে ওপরের জিনিসের অবস্থান আসলটার চেয়ে একটু অন্যভাবে দেখেন, কারণ পানি থেকে বাতাসে আসা আলোও প্রতিসরিত হয়।

লেন্সআলো একত্র বা ছড়ানো

লেন্স হলো একটা বাঁকা স্বচ্ছ কাচ যা আলোকে একটা বিন্দুতে একত্র করতে বা ছড়িয়ে দিতে পারে।

মজার তথ্যক্যামেরা, দূরবীন, চশমা সবকিছুর ভেতরেই লেন্স আছে - সবগুলোই একই মূলনীতিতে আলোকে বাঁকিয়ে একটা স্পষ্ট ছবি তৈরি করে।

রংধনুসাত রঙে আলো

রংধনু তৈরি হয় যখন সূর্যের সাদা আলো বাতাসে ভাসমান পানির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রতিসরিত ও বিচ্ছুরিত হয়ে সাত রঙে ভাগ হয়ে যায়।

মজার তথ্যরংধনু দেখতে হলে সবসময় সূর্যকে পেছনে আর বৃষ্টিকে সামনে রেখে তাকাতে হয় - এই কারণেই বৃষ্টির পরপর বিকেলে রংধনু বেশি দেখা যায়।

রঙের মিশ্রণআলো বনাম রং

আলোর রং মেশানো আর রঙের কালি মেশানো ভিন্ন নিয়মে চলে - আলো মেশালে উজ্জ্বল হয়, কালি মেশালে গাঢ় হয়।

মজার তথ্যকোনো ফোন বা কম্পিউটার স্ক্রিন জুম করে দেখলে বোঝা যায়, প্রতিটা রং আসলে শুধু লাল, সবুজ আর নীল বিন্দুর মিশ্রণ দিয়ে তৈরি।

চোখ কীভাবে দেখেচোখ ও মস্তিষ্ক

চোখের ভেতরের লেন্স বাইরের আলোকে চোখের পেছনের পর্দায় (রেটিনায়) ফোকাস করে, আর সেখান থেকে সংকেত মস্তিষ্কে গিয়ে ছবি তৈরি হয়।

মজার তথ্যচোখের পলক ফেলার সময়টাতেও (প্রায় ০.৩ সেকেন্ড) মস্তিষ্ক ছবিটাকে ধরে রাখে, তাই পলক পড়লেও আমরা কখনো অন্ধকার দেখি না।

বর্ণান্ধতাকিছু রং না চেনা

বর্ণান্ধতা হলো এমন একটা অবস্থা যেখানে চোখ কিছু নির্দিষ্ট রং (সাধারণত লাল আর সবুজ) স্পষ্টভাবে আলাদা করে চিনতে পারে না।

মজার তথ্যট্রাফিক সিগন্যালে লাল বাতি সবসময় সবচেয়ে ওপরে থাকে, যাতে বর্ণান্ধ চালকরাও রং না চিনলেও শুধু বাতির অবস্থান দেখেই বুঝতে পারেন কোনটা থামার সংকেত।

বিভাগ ০৫শব্দ ৮টি

স্লাইডার টানলে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বদলায় - ঢেউ ঘন বা পাতলা হয়ে যায়।

কম্পনশব্দের শুরু

শব্দ তৈরি হয় যখন কোনো জিনিস খুব দ্রুত কাঁপতে (কম্পন করতে) থাকে।

মজার তথ্যকথা বলার সময় গলার ভেতরের ভোকাল কর্ড (স্বরতন্ত্রী) কাঁপে বলেই শব্দ তৈরি হয় - গলায় হাত দিলে এই কম্পন টের পাওয়া যায়।

শব্দতরঙ্গবাতাসে ছড়ানো

শব্দ কম্পনের মাধ্যমে বাতাসের মধ্য দিয়ে তরঙ্গ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে বলে শব্দতরঙ্গ।

মজার তথ্যমহাকাশে বাতাস নেই বলে সেখানে কোনো শব্দ শোনা যায় না - সিনেমায় মহাকাশযান বিস্ফোরণের শব্দ আসলে বাস্তবে হতোই না।

তীক্ষ্ণতাসরু বা মোটা স্বর

তীক্ষ্ণতা বলে দেয় শব্দ কতটা সরু (চিকন) বা মোটা শোনায় - এটা নির্ভর করে কম্পন কত দ্রুত হচ্ছে তার ওপর।

মজার তথ্যকুকুর মানুষের চেয়ে অনেক বেশি তীক্ষ্ণ শব্দ শুনতে পারে, তাই এমন কিছু শিস আছে যা মানুষ শুনতেই পায় না কিন্তু কুকুর ঠিকই শোনে।

তীব্রতাজোরে বা আস্তে

তীব্রতা বলে দেয় শব্দ কতটা জোরে বা আস্তে শোনাচ্ছে - এটা নির্ভর করে কম্পন কতটা বড় (বিস্তৃত) তার ওপর।

মজার তথ্যঅনেকক্ষণ ধরে খুব জোরে (উচ্চ তীব্রতার) শব্দ শুনলে কানের ভেতরের সূক্ষ্ম কোষগুলো স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তাই হেডফোনে বেশি জোরে গান শোনা ক্ষতিকর।

প্রতিধ্বনিফিরে আসা শব্দ

শব্দ কোনো শক্ত দেয়াল বা পাহাড়ে বাধা পেলে ফিরে আসে, একে বলে প্রতিধ্বনি।

মজার তথ্যবাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করতে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে - নিজে শব্দ ছেড়ে সেই শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে বুঝে নেয় সামনে কোনো বাধা আছে কিনা।

কান কীভাবে শোনেকম্পন থেকে অনুভূতি

কানের বাইরের অংশ শব্দতরঙ্গ ধরে ভেতরে পাঠায়, সেখানে কানের পর্দা কেঁপে ওঠে, আর সেই কম্পন মস্তিষ্কে সংকেত হয়ে যায়।

মজার তথ্যকান দুটো একটু ফাঁকে ফাঁকে বসানো বলেই মস্তিষ্ক বুঝতে পারে শব্দ কোন দিক থেকে আসছে - দুই কানে শব্দ পৌঁছানোর সামান্য সময়ের পার্থক্য দিয়েই এই দিক অনুমান হয়।

শব্দদূষণক্ষতিকর শব্দ

অতিরিক্ত জোরে বা অনবরত শব্দ যখন মানুষের বিরক্তি বা ক্ষতির কারণ হয়, তখন তাকে বলে শব্দদূষণ।

মজার তথ্যঅনেক শহরে এখন হাসপাতাল আর স্কুলের সামনে "নীরব এলাকা" ঘোষণা করে হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়, যাতে শব্দদূষণ কমে।

বাদ্যযন্ত্রে শব্দবাদ্যযন্ত্রসুরেলা কম্পন

বাদ্যযন্ত্র বিশেষভাবে তৈরি করা হয় যাতে এর কম্পন সুরেলা আর কানে ভালো লাগার মতো শব্দ তৈরি করে।

মজার তথ্যএকতারা মাত্র একটা তার দিয়েই সুর তোলে - তারের টান আঙুল দিয়ে বদলে বদলেই ভিন্ন ভিন্ন সুর বাজানো সম্ভব হয়।

বিভাগ ০৬তাপ ৮টি

তাপমাত্রার স্লাইডার টানো - কণাগুলো জমাট বাঁধা থেকে ভাসতে ভাসতে ছোটাছুটি শুরু করে, কঠিন-তরল-গ্যাস চোখের সামনে বদলায়।

তাপ ও তাপমাত্রাদুটো আলাদা জিনিস

তাপ হলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া শক্তি, আর তাপমাত্রা বলে দেয় কোনো জিনিস কতটা গরম বা ঠান্ডা।

মজার তথ্যথার্মোমিটার তাপমাত্রা মাপে, কিন্তু কোনো যন্ত্র নেই যা সরাসরি "মোট তাপ" মাপতে পারে - কারণ তাপ শুধু জিনিস আর পরিমাণ দুটোর ওপরই নির্ভর করে।

পরিবহনছুঁয়ে তাপ যাওয়া

পরিবহন হলো তাপ ছড়ানোর একটা উপায়, যেখানে গরম অংশ থেকে সরাসরি ছোঁয়ার মাধ্যমে তাপ পাশের ঠান্ডা অংশে চলে যায়।

মজার তথ্যঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটলে পা দিয়ে তাপ দ্রুত মেঝেতে চলে যায় বলে ঠান্ডা লাগে বেশি, যদিও কার্পেটের ওপর দাঁড়ালে একই তাপমাত্রার ঘরেও কম ঠান্ডা লাগে।

পরিচলনতরল-গ্যাসে তাপ চলাচল

পরিচলন হলো তরল বা গ্যাসে তাপ ছড়ানোর একটা উপায়, যেখানে গরম অংশ নিজেই ওপরে উঠে যায় আর ঠান্ডা অংশ নিচে নেমে আসে।

মজার তথ্যপাখি আর গ্লাইডার বিমান বাতাসের গরম স্রোতে (পরিচলন স্রোতে) ভর করে ওপরে উঠে যায়, এতে ডানা না ঝাপটেও অনেকক্ষণ আকাশে ভেসে থাকতে পারে।

বিকিরণছোঁয়া ছাড়াই তাপ

বিকিরণ হলো তাপ ছড়ানোর এমন এক উপায় যাতে কোনো মাধ্যম ছোঁয়ার দরকার হয় না - তাপ সরাসরি রশ্মি হয়ে চলে যায়।

মজার তথ্যকালো রঙের জামা সাদা জামার চেয়ে বেশি তাপ শোষণ করে, কারণ কালো রং বেশি বিকিরণ শুষে নেয় - গরমকালে তাই হালকা রঙের জামা বেশি আরামদায়ক।

অবস্থার পরিবর্তনকঠিন-তরল-গ্যাস

তাপ পেলে বা হারালে পদার্থ কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে গ্যাস, বা উল্টো দিকে বদলে যেতে পারে।

মজার তথ্যবরফ গলার সময় আশেপাশের তাপ শুষে নেয় বলেই পানীয়তে বরফ দিলে সেটা ঠান্ডা হয় - বরফ আসলে ঠান্ডা "যোগ" করে না, তাপ "শুষে" নেয়।

তাপীয় প্রসারণগরমে বাড়া

তাপ পেলে বেশিরভাগ পদার্থ একটু ফুলে ওঠে বা বড় হয়, একে বলে তাপীয় প্রসারণ।

মজার তথ্যবৈদ্যুতিক তারের লাইন শীতকালের চেয়ে গরমকালে একটু বেশি ঝুলে থাকে - কারণ গরমে ধাতুর তার সামান্য প্রসারিত হয়ে লম্বা হয়ে যায়।

তাপ নিরোধকতাপ আটকানো

তাপ নিরোধক এমন জিনিস, যা তাপকে সহজে যেতে দেয় না - এটা গরম বা ঠান্ডা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

মজার তথ্যপেঙ্গুইনের শরীরে ঘন পালকের নিচে বাতাসের একটা স্তর আটকে থাকে, যা তাপ নিরোধকের মতো কাজ করে বলেই তারা বরফের ওপর টিকে থাকতে পারে।

থার্মোমিটারতাপ মাপার যন্ত্র

থার্মোমিটার হলো তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র - এর ভেতরের তরল গরমে প্রসারিত হয়ে ওপরে ওঠে, ঠান্ডায় সংকুচিত হয়ে নিচে নামে।

মজার তথ্যআধুনিক ডিজিটাল থার্মোমিটার তরলের বদলে বিদ্যুৎ প্রবাহের বদল মেপে তাপমাত্রা বলে দেয় - অনেক দ্রুত আর নিরাপদ, কাচ ভাঙার ঝুঁকি নেই।

বিভাগ ০৭বিদ্যুৎ ও চুম্বক ১২টি

স্লাইডার টানলে তারে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাড়ে - বাল্ব ম্লান থেকে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে।

স্থির বিদ্যুৎঘষায় তৈরি

স্থির বিদ্যুৎ তৈরি হয় যখন দুটো জিনিস একে অপরের সাথে ঘষা খায় আর একটা থেকে আরেকটায় বৈদ্যুতিক চার্জ চলে যায়।

মজার তথ্যবজ্রপাত আসলে বিশাল আকারের স্থির বিদ্যুৎ - মেঘের ভেতরে চার্জ জমতে জমতে এত বেশি হয়ে যায় যে হঠাৎ মাটির দিকে ছুটে আসে।

বর্তনীবিদ্যুতের পথ

বর্তনী হলো এমন একটা বন্ধ পথ, যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে - ব্যাটারি, তার আর বাল্ব দিয়ে সহজ একটা বর্তনী বানানো যায়।

মজার তথ্যপুরো বাড়ির বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও আসলে অনেকগুলো ছোট ছোট বর্তনীর সমষ্টি - প্রতিটা ঘর, প্রতিটা যন্ত্রের জন্য আলাদা আলাদা বর্তনী থাকে।

শ্রেণি সংযোগএকের পর এক

শ্রেণি সংযোগে সব যন্ত্র একটার পর একটা একই তারে জোড়া থাকে, তাই বিদ্যুৎ সবকটার ভেতর দিয়েই একে একে যেতে হয়।

মজার তথ্যশ্রেণি সংযোগে বেশি যন্ত্র জুড়লে প্রতিটার আলো একটু কমে যায়, কারণ একই বিদ্যুৎ প্রবাহ এবার বেশি যন্ত্রের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।

সমান্তরাল সংযোগআলাদা আলাদা পথ

সমান্তরাল সংযোগে প্রতিটা যন্ত্রের জন্য আলাদা আলাদা পথ থাকে, তাই একটা যন্ত্র বন্ধ হলেও বাকিগুলো চলতে থাকে।

মজার তথ্যএকটা ঘরে দশটা বাতি সমান্তরাল সংযোগে থাকলে, যেকোনো একটা ভেঙে গেলেও বাকি নয়টা স্বাভাবিকভাবে জ্বলতেই থাকবে।

পরিবাহী ও অন্তরকবিদ্যুৎ চলে বা চলে না

যে জিনিসের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে পারে তাকে পরিবাহী বলে, যেটার ভেতর দিয়ে পারে না তাকে অন্তরক বলে।

মজার তথ্যবৈদ্যুতিক তারে রাবার বা প্লাস্টিকের মোড়ক না থাকলে সরাসরি খালি ধাতুর তার ছুঁলেই বিদ্যুৎ শরীরে চলে আসত - এই মোড়কই মানুষকে নিরাপদ রাখে।

ব্যাটারিবিদ্যুতের উৎস

ব্যাটারি রাসায়নিক শক্তি জমিয়ে রাখে, আর প্রয়োজনে সেই শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে বদলে দেয়।

মজার তথ্যএকটা লেবু, তামা আর দস্তার তার দিয়ে সাধারণ একটা ছোট ব্যাটারি বানানো সম্ভব - স্কুলের বিজ্ঞান মেলায় এটা খুব জনপ্রিয় একটা পরীক্ষা।

সুইচচালু-বন্ধ

সুইচ বর্তনীর পথ জোড়া লাগাতে বা ভাঙতে ব্যবহার হয় - জোড়া থাকলে বিদ্যুৎ চলে, ভাঙা থাকলে বন্ধ থাকে।

মজার তথ্যরিমোট কন্ট্রোল আসলে দূর থেকে সুইচ চালানোর একটা উপায় - সরাসরি হাত না লাগিয়েও অদৃশ্য সংকেত দিয়ে টিভির বর্তনী চালু-বন্ধ করা যায়।

চুম্বকটানার শক্তি

চুম্বক এমন একটা জিনিস, যা লোহা বা কিছু নির্দিষ্ট ধাতুকে নিজের দিকে টেনে ধরতে পারে।

মজার তথ্যপৃথিবী নিজেই একটা বিশাল চুম্বক - এর কারণেই কম্পাসের কাঁটা সবসময় উত্তর-দক্ষিণ দিক দেখায়, পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে সমান্তরাল হয়ে।

চৌম্বক ক্ষেত্রচুম্বকের প্রভাব-এলাকা

চৌম্বক ক্ষেত্র হলো চুম্বকের চারপাশের সেই জায়গা, যেখানে অন্য চুম্বক বা লোহার জিনিস তার টান অনুভব করে।

মজার তথ্যপাখিরা লম্বা পথ পাড়ি দেওয়ার সময় পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র অনুভব করে দিক ঠিক রাখতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন - এটা তাদের প্রাকৃতিক কম্পাসের মতো কাজ করে।

তড়িৎচুম্বকবিদ্যুৎ থেকে চুম্বক

তড়িৎচুম্বক হলো এমন একটা চুম্বক, যা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলেই চুম্বকত্ব পায়, বন্ধ করলে চুম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে।

মজার তথ্যভাঙারির দোকানে বড় বড় তড়িৎচুম্বক ব্যবহার করে ক্রেন দিয়ে ভারী লোহার টুকরো তোলা হয় - কাজ শেষে বিদ্যুৎ বন্ধ করলেই লোহার টুকরো আবার নিচে পড়ে যায়।

মোটরবিদ্যুৎ থেকে ঘোরা

মোটর এমন একটা যন্ত্র, যা বিদ্যুৎ শক্তিকে ঘূর্ণন গতিতে বদলে দেয় - এটাই ফ্যান, পাখা বা গাড়ির চাকা ঘোরায়।

মজার তথ্যবৈদ্যুতিক গাড়ির মোটর পেট্রল ইঞ্জিনের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর, কারণ এতে জ্বালানি পোড়ানোর দরকার নেই, বিদ্যুৎ সরাসরি ঘূর্ণনে বদলে যায়।

বিদ্যুৎ নিরাপত্তাসাবধানতা

বিদ্যুৎ খুব উপকারী হলেও সাবধানে ব্যবহার না করলে বিপজ্জনক হতে পারে, তাই কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

মজার তথ্যবজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে বা লম্বা গাছের নিচে দাঁড়ানো বিপজ্জনক, কারণ উঁচু আর একা দাঁড়ানো জিনিসেই বজ্রপাত সবচেয়ে সহজে আঘাত করে।

কতদূর হলো ০ / ৬৫

← সব ভুবন · মহাকাশ · প্রশ্ন বা পরামর্শ?